Home

Who's Online

We have 1 guest online

Visitors Counter

9682
TodayToday16
YesterdayYesterday10
This weekThis week59
This monthThis month16
All daysAll days9682
US
Logged In Users 0
Registered Users 66
Registered Today 0
Now Online
-

প্রবন্ধ, নিবন্ধ

Related Items

প্রবেশ করুন

CB Workflows

 
Welcome to the Akanjee
অসম বৃত্তের ব্যসন -অভিষেক মোহাম্মদ E-mail
admin
Written by Akanjee   
Friday, 01 June 2012 07:44

অসম বৃত্তের ব্যসন

তোমার কাছে অনুতপ্ত হবো বলেই, রপ্ত
সপ্ত কোটি দৈহিক অপরাধ;
স্বপ্নের কাঁধ ছুঁয়ে, দ্রুত স্রোতে শুয়ে
রোদের আগুনে পুড়িয়েছি অন্তরিন্দ্রিয়
কুড়িয়েছি দিনমান বোধের সঘন বিত্ত,
সিক্ত হৃদয়ের চঞ্চল তাড়নায়
বারবার দিগন্ত ছুঁয়েও ফিরে এসেছি নাভিমূলে,
অন্ত আদি ঘুরে শুধু দরোজা খুলে দেখেছি
নিষ্পলক নৈতিক অবগাহন,
খুঁজে পাইনি তোমাকে
অনুগচিত্ত প্রতিপলে আহত হয়েছে
তোমাকে হারানোর ভয়ে।
তোমাকে দুঃখ দেব বলেই এবং দুঃখ পাবার জন্যই
বারবার খুঁজে পেতে চেয়েছি তোমাকে,
তোমাকে খুঁজেছি পড়ন্ত বিকেলের নিশ্চুপ গ্রামে
আমার সরল কঠোর পদচিহ্ন জোড়া-
তোমার সমগ্রবক্ষ জুড়ে;
তোমাকে খুঁজেছি
আমার অগোছালো স্পর্শে আঁকা
অবাধ্য সুরে;
ষ্ট্যাভার্ন, ক্যান ব্যাঙ্কুইট হলে
ফ্রাঙ্কফুর্টের মহামিলনে
বারবার ফিরে আসা এই বাংলায়।।

Last Updated on Friday, 01 June 2012 07:45
 
তুমি আমি -অভিষেক মোহাম্মদ E-mail
admin
Written by Akanjee   
Sunday, 20 May 2012 08:43

তুমি আমি

তুমি আমি নীরোগ ভালোবাসা
চৈত্র বৈশাখে তুমি আমি আশা
এবং স্বপ্ন সাধি
সকাল সন্ধ্যা রাতি

তুমি আমি এরকম আজীবন বাসা বাধা।
হেলাফেলা সারা-বেলা বন্ধু আমার হেলাফেলা সারা-বেলা
দশদিকে শুধু... শুধু বিষাদের একি মেলা
তুমি ভিন্ন-ভিন্ন তুমি
সাতে, ত্রিশে, বছরে, রোজই...
দ্বন্দ্ব সংঘাতে আমি...
খেলে যাও তুমি তোমার অমীমাংসিত খেলা।।

-অভিষেক মোহাম্মদ
(কাব্যগ্রন্থ: অসম বৃত্তের ব্যসন)

 
তোমায় বন্ধু রাখিব, ছেড়ে যাবনা-পাগল দেবা E-mail
Debashish
Written by Debashish Bhadra   
Thursday, 08 March 2012 17:19

তোমায় বন্ধু রাখিব, ছেড়ে যাবনা

পাগল দেবা

 

কত আশায় আমি বসে থেকে

দেশ বিদেশে ঘুরে ফিরে রে...

পেলাম বন্ধু তোমার দেখা

তোমায় বন্ধু রাখিব, ছেড়ে যাবনা

 

এখন কি আর মনের দেশে

না রাখিলে স্বর্গ ভাসে?

বিপদে পরেছি জমিন কিনে

জমিনে চলে চাষা, মন বাধেনা

 

নুনা পানির ক্ষারের জ্বালায়

বৃক্ষ ধরে ফল কোথায়?

অবলা দেহে থাকি পরে

জীবন ভর সমাধান, আর মিলেনা......

 

বাগানবাড়ির আর্তনাতে মন

জনম ভর পচে এখন

পাগল দেবা কান্দে হাল ছাড়িয়া

না না রাখিব তোমারে, ছাড়তে পারবনা

 
ফকির লালান সাই ও তার বাউল ধর্ম ১- পাগল দেবা E-mail
Debashish
Written by Debashish Bhadra   
Wednesday, 14 March 2012 14:38

ফকির লালান সাই ও তার বাউল ধর্ম ১

পাগল দেবা

alt

ফকির লালন সাই-কে নিয়ে কিছু বলতে গেলে প্রথমেই আসে বাউল পথের কথা। এই পথ কি? এর উৎপত্তিস্থল কোথায়, কিভাবে ইত্যাদি নানা কথা। তাই লালন সাই-কে জানার পূর্বে আমরা একটু বাউল সম্পর্কে আলোচনা করে নেই।

 

বাংলার বাউল ধর্মের উদ্ভভ মধ্যযুগে। তবে সঠিক কোন সমাধান আজও পাওয়া যায়নি। উপেন্দ্র ভট্টাচার্য মনে করেন, আনুমানিক ১৬২৫ খ্রিস্টাব্ধ থেকে আরম্ভ করে ১৬৭৫ খ্রিস্টাব্ধ এর মধ্যে বাউল ধর্ম এক পরিপূর্ণ রুপ নিয়ে আবির্ভূত হয়। অপরদিকে আহমদ শরীফ যথার্থ বলেন, উনিশ শতকে লালন ফকিরের সাধনা ও সৃষ্টির মাধ্যমেই এর পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে। লালনকেই তাই বাউল গানের মহত্তম জনক ও বাউল সাধনার শ্রেষ্ঠ ভাষ্যকার হিসেবে চিহ্নিত করা চলে।

 

বৃহত্তর বাংলার গ্রামীণ জীবনে তিনি একটি জাগরণ এনেছিলেন, জনচিত্তে জাগিয়েছিলেন ব্যাপক সাড়া। লালনের প্রধান পরিচয় তার গানে। সেই গানই তাঁকে বাচিয়ে রেখেছেন আমাদের মাঝে। তার গানের প্রতি আন্তর্জাতিক মনোযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

তার জন্ম নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ লোকাইত রয়েছে। তিনি নিজেও এই বিষয়ে ছিলেন নীরব। “হিতকরী” নামক এক তৎকালীন পত্রিকায় পাওয়া যায় তার জন্ম ১৫ কার্তিক ১২৯৭/৩১ অক্টোবর ১৮৯০। কিন্তু প্রচলিত মতে, লালন সাই ১৭৭৪ সালে সেই সময়ের নদীয়া জেলার অধীন কুষ্টিয়ার কুমারখালি থানার চাপড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত গড়াই নদীর তীরবর্তী ভাঁড়ারা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। হিন্দু কায়স্ত পরিবারের একমাত্র সন্তান ছিলেন লালন। বাবা- মাধব কর ও মাতা- পদ্মাবতী। শৈশবেই তিনি বাবাকে হারান। অর্থের অভাবে পড়াশুনাও করতে পারেননি। সেই সময় সেই জন্মস্তল ছিল লোকসংস্কৃতির একটি বিশেষ কেন্দ্র। আর সেখানেই লালন কীর্তন, কবিগান করে বেশ পরিচিতিও লাভ করেছিলেন অনেক কম বয়সেই।

 

অতি অল্প বয়সেই বাবা মারা যাওয়ায় সংসারের সকল দায়িত্ব তার উপর এসে পরে। অল্প বয়সে তিনি বিয়েও করে ফেলেন। লালন দাসপাড়ায় থাকতেন। এই দাসপাড়ার প্রতিবেশী বাউল দাস এর সহিত লালন মুর্শিদাবাদ যান গঙ্গা স্নানে। সেই গঙ্গা স্নানে যাবার পর লালন বসন্ত রোগে আক্রান্ত হন। তার সঙ্গীরা কোন রকম মুখাগ্নি করে নদীতে ভেলায় চড়িয়ে ভাসিয়ে দেন। এদিকে এক মুসলিম নারী লালনকে মূমুরষ অবস্থায় দেখে নিয়ে যায় তার বাড়িতে। অনেক সেবার পর লালন সুস্থ হয়। সুস্থ হয়ে ফিরে যায় নিজ গ্রামে মা ও স্ত্রীর কাছে। কিন্তু, তৎকালীন হিন্দু সমাজ মুসলমানের জল স্পর্শের জন্যে তাঁকে আর গ্রহণ করেনা। এই থেকেই লালনের মধ্যে সৃষ্টি হয় সমাজ বেবস্থার প্রতি একটা ঘৃণা। এই জাতি ভেদের কথা নিয়ে তার অনেক ক্ষুব্ধ প্রকাশও লক্ষ করা গেছে। তাই তিনি নিজ পরিচয় গোপন রেখে সবসময় চলেছেন। তাই তারই একটি গানে প্রকাশ পেয়েছে এই জাতের কথা-

 

জাত গেল জাত গেল বলে একি আজব কারখানা

সত্য কাজে কেউ নয় রাজি সব দেখি তা না না না ।।

 

যখন তুমি ভবে এলে

তখন তুমি কী জাত ছিলে

যাবার বেলায় কী জাত নিলে

                  এ-কথা আমায় বল না ।।

 

ব্রাম্মন-চন্ডাল চামার-মুচি

একই জলে সব হয় গো শুচি

দেখে শুনে হয় না রুচি

                 যমে তা কাউকে ছাড়বে না ।।

 

গোপনে যে বেশ্যার ভাত খায়

তাতে ধর্মের কী ক্ষতি হয়

লালন বলে জাত কারে কয়

                 এই ভ্রম তো গেল না ।।

 

                                                (চলবেই)......           

 
কেমনে তারে সুধাই...?-দেবাশীষ ভদ্র E-mail
Debashish
Written by Debashish Bhadra   
Tuesday, 14 February 2012 16:20

কেমনে তারে সুধাই...?

দেবাশীষ ভদ্র

alt

শুদ্ধ প্রেমেরই বিরাজনায়

কেইদে মরি অসীম হেলায়

জাতি ধর্ম ছেড়ে বেঁচে

এখন আমার হল দায়

“প্রেমে আমি অগাদ ভাসি

কেমনে তারে সুধাই...?”

 

এই যোগেতে নাইরে সেই প্রেম

লাগলে ব্যাথা সেও বুঝে

কলি যোগের রাঁধা ও কৃষ্ণ

কি শিখালেন তাই ভেবে যাই......

 

পরমো জ্বালায় আমি জ্বলি

আসমানে সাঁইয়ের ছলচাতুরী

মানবের এই প্রেম রচনা

দেহের জোরে হয় বড়াই......

 

পাপি আগে হইলাম বলেই

চিনলাম পাপির কল কুঠরি

নষ্ট দেহে মনের যাতনা

পাগল দেবা কাদে তাই......

Last Updated on Thursday, 16 February 2012 12:47
 
«StartPrev12345678910NextEnd»

Page 1 of 33

Facebook

Copyright © 2012 Akanjee, আকন্‌জী. All Rights Reserved.
Akanjee! Where moments become a day GNU/GPL License.